বাড্ডা গার্লস হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ: একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড। শিক্ষা ছাড়া কোন জাতিই উন্নতি লাভ করতে পারে না। সমগ্র মানব সমাজের মধ্যে নৈতিক বিচারে শিক্ষকতা সর্বোচ্চ মর্যাদাপূর্ণ পেশা। মানসম্মত শিক্ষা আমাদের সকলের মৌলিক ও মানবিক অধিকার। শিক্ষকরা হলো সমাজ ও রাষ্ট্রের আলোক বর্তিকা।আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমুহস হচ্ছে জ্ঞান বিকাশ কেন্দ্র।
তেমনই দেশের অন্যতম জ্ঞান চর্চা কেন্দ্র বাড্ডা গার্লস হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ। যার কান্ডারির ভূমিকায় আছেন অধ্যক্ষ মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন । রাজধানী বাড্ডাতে এক মনোরোম পরিবেশে অবস্থিত বাড্ডা গার্লস হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ। ১৯৭৮ সালে নারী শিক্ষা বিস্তারের লক্ষ্যে ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাড্ড গার্ল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। একবিংশ শতাব্দীর উষা লগ্নে জ্ঞান-বিজ্ঞানের এ চলমান স্রোত ধারায় উন্নত জাতি হিসেবে বিশ্ব আসনে বাংলাদেশকে তুলে ধরতে শিক্ষিত যুবসমাজের কোনো বিকল্প নেই। সেই লক্ষ্যে বাড্ডা গার্লস হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্রীদের সুশিক্ষিত করে তুলতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন অধ্যক্ষ মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মোঃ মজিবুর রহমান। প্রতিষ্ঠানটিতে রয়েছে দক্ষ, কর্মতৎপর ও বিদ্যানুরাগী অভিজ্ঞ শিক্ষক মন্ডলী এবং আধুনিক শিক্ষার সকল সুযোগ সুবিধা। নারী শিক্ষার অগ্রণী এই প্রতিষ্ঠান টি সূচনা লগ হতেই এ অঞ্চলে শিক্ষার বাতিঘর হিসেবে আলো ছড়িয়ে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির রয়েছে পি.ই.সি, জে.এস.সি ও এস.এস. সি পরীক্ষায় ১০০% (শতভাগ) সাফল্যের গৌরব। শিক্ষকদের প্রচেষ্টায় শিক্ষার্থীর হয়ে উঠছে আলোকিত মানুষ। প্রতিষ্ঠানটিতে রয়েছে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, জেনারেটরের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থা, সার্বক্ষণিক সি.সি. ক্যামেরা দ্বারা ক্লাস কার্যক্রম সহ অন্যান্য সকল কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হয়।রয়েছে সুসজ্জিত বিজ্ঞানাগার ও কম্পিউটার ল্যাব। আছে দক্ষ ও অভিজ্ঞ ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকমন্ডলী।একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ক্লাস পরীক্ষা ও অন্যান্য সহ শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। শিক্ষার্থীদেরকে শৃঙ্খলাবদ্ধ, স্বনির্ভর এবং নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল করে গেড় তোলা হয়।শিক্ষার্থীদেরকে মানব সেবায় উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে স্কাউট, ডিবেট, গালর্স গাইড ও খেলাধূলা এর ব্যবস্থা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটিতে। শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীদের জন্যে রয়েছে নামাজের সুব্যবস্থা। এছাড়া প্রতি বছর বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ ও বার্ষিক শিক্ষা সফরের আয়োজন করা হয়। প্রতিষ্ঠানটি’র রয়েছে অনেক সফলতা।ধাপে ধাপে অর্জন করেছে অনেক কিছু।
যেমন:-
শিক্ষা সপ্তাহ ২০১৯ ও ২০২২ এ সরকারী ভাবে বাড্ডা থানায় শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিত হন অত্র প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন।
২০১৮ সালে শিক্ষা ক্ষেত্রে অবদানের জন্য প্রিন্সিপাল মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন এর ভারত থেকে ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী সম্মাননা অর্জন করেন।
২০১৮ ও ২০২২ সালে নেপাল কালচারাল সোসাইটি থেকে শিক্ষা ক্ষেত্রে অবদানের জন্য অধ্যক্ষ মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন নেপাল-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ এ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন।
বাংলাদেশের বিভিন্ন সংগঠন থেকে শিক্ষা ক্ষেত্রে অবদানের জন্য অধ্যক্ষ মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন-কে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০১৮ এ সরকারীভাবে বাড্ডা শিক্ষা থানায় শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী নির্বাচিত হন অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী সাবিকুন্নাহার ইরিন।
জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০১৯ এ সরকারীভাবে বাড্ডা শিক্ষা থানায় শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী নির্বাচিত হন অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ফারহানা সুলতানা লুবনা।
জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৩ এ সরকারীভাবে বাড্ডা শিক্ষা থানায় শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী নির্বাচিত হন অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী আরওয়া বিনতে মাহমুদ খান।
জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৩ এ সরকারীভাবে বাড্ডা শিক্ষা থানায় ৬টি ইভেন্টে প্রথম স্থান অধিকার করে বাড্ডা গালর্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা। অভিনয় ক-গ্রুপে প্রথম হন- স্নিগ্ধা আনোয়ারা অভি, অভিনয় খ-গ্রুপে প্রথম হন- ছিন্তিয়া ইসলাম রূপা, আবৃত্তি খ-গ্রুপে প্রথম হন-নৌরিন হাসান অহনা,বাংলা রচনা, ইংরেজি রচনা ও বির্তকে প্রথম হন আরওয়া বিনতে মাহমুদ খান।
২০২২ সালে বৃহত্তর গুলশান জোনে গ্রীষ্মকালীন খেলাধূলায় দাবা (বালিকা জুনিয়র গ্রুপ) প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হন অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ইসরাত জাহান মৌন।
খেলাধূরা, বিতর্ক, অভিনয় ও নৃত্যে থানা পর্যায়, জেলা পর্যায় ও বিভাগীয় পর্যায় শিক্ষার্থীরা অনেক পুরস্কার অর্জন করেন।
পাঠদান পদ্ধতি,শিক্ষকদের দক্ষতা,শৃংখলা,স্কুল ব্যবস্থাপনা,এক্সট্রা কারিকুলাম একটিভিটিস সহ সকল নিরিখে বাড্ডা গার্লস হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।